টিপস

টিন সার্টিফিকেট আবেদন, চেক, ডাউনলোড, সংশোধন ও বাতিল করার নিয়ম

টিন সার্টিফিকেট আবেদন, চেক, ডাউনলোড, সংশোধন ও বাতিল করার নিয়ম। সবাইকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের পোস্ট। আজকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। বরাবরের মতো পাঠকের চাহিদা অনুসারে আজকে টিন সার্টিফিকেট সম্পর্কে আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজকের পোস্টে আপনারা টিন সার্টিফিকেট সম্পর্কে সমস্ত কিছু জানতে পারবেন। আমরা চেস্টা করেছি টিন সার্টিফিকেট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার জন্য। এই পোস্ট পড়ার পরে আশা করি আপনাদের টিন সার্টিফিকেট সম্পর্কে আর কোন তথ্য অজানা থাকবে না।

টিন সার্টিফিকেট কি

টিন সার্টিফিকেট কি? টিন সার্টিফিকেট বলতে বোঝায় হলো ট্যাক্স পেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার। ইনকাম ট্যাক্স দিতে গেলে আপনার একটি টিন সার্টিফিকেট লাগবে। এই টিন সার্টিফিকেট ছাড়া আপনি কোনভাবেই ঈঙ্কাম ট্যাক্স দিতে পারবেন না। যখন আপনি মনে করবেন আপনার ইনকাম বছরে দুই লক্ষ পচাত্তর হাজার টাকার বেশি তখন আপনার ইনকাম ট্যাক্স দিতে হবে। বলা বাহুল্য যে ফ্রিল্যান্সারদের কোন ট্যাক্স দিতে হবে না ২০২৪ সাল পর্যন্ত। ইনকাম ট্যাক্স এর সুবিধা হলো আপনার কস্টার্জিত টাকার উপর কেও কথা বলতে পারবে না। আপনার টাকা সাদা টাকা হিসেবে গণ্য হবে।

টিন সার্টিফিকেট থাকলেই কি কর দিতে হবে?

টিন সার্টিফিকেট থাকলেই কি কর দিতে হবে? বিশেষ কিছু কিছু ক্ষত্রে টিন সার্টিফিকেট থাকলে কর দিতে হবে। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিথীল করা হয়েছে, যার ফলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কর না দিলেও চলবে। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক কোন কোন ক্ষেত্রে কর দেয়া বাধ্যতামূলক বা আয় না থাকলেও কর দিতেই হবে।
যাদের আয়কর দেয়া বাধ্যতামূলকঃ

১. যদি আয় বছরে করদাতার মোট করযোগ্য আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম করে তবে রিটার্ন জমা দিতে হবে।
২. মোটর গাড়ির মালিকানা থাকলে দিতে হবে।
৩. মূল্য সংযজোন কর আইন, ১৯৯১ এর অধীন নিবন্ধিত কোন ক্লাবের সদস্যপদ থাকলে।
৪. সিটি কর্পোরেশনে অথবা পৌরসভায় ব্যাবসা পরিচালণার জন্য ট্রেড লাইসেন্স থাকলে কর দিতেই হবে।
৫. ডাক্তার, আয়কর আইনজীবী, চার্টার্ড একাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ার পেশায় নিয়োজিত সকল ব্যাক্তিবর্গকে রিটার্ন জমা দিতে হবে।
৬. চেম্বার অব কমার্স এন্ড উন্ডাস্ট্রিজ অথবা কোন ট্রেড এসোসিয়েশনের সদস্য।
৭. পৌরসবা, সিটি কর্পরেশন অথবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সকল পদপ্রার্থী
৮. সরকারী, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা অথবা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ঠিকাদারি কাজে টেন্ডারে অংশগ্রহনকারী সকল ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠান।
৯. সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারী চাকরীরতদের মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা বা তার বেশি হলে রিটার্ন জমা দিতে হবে।

যাদের আয়কর দেয়া বাধ্যতামূলক নাঃ

উপরে যে সমস্ত মানুষের কথা বলা হয়েছে তাদের বাদ দিয়ে বাকি ব্যাক্তিদের এক আয় বছরে মোট করযোগ্য আয়ের পরিমাণ যদি করসীমা অতিক্রম না করে ধারাবাহিকভাবে ৩ বছর, তবে ৪র্থ বছর থেকে তাদের আয়কর দেয়া বাধ্যতামূলক হবে না।

পড়ুনঃ বিশ্বাস নিয়ে উক্তি, প্রবাদ, বাণী ও ছবি

টিন সার্টিফিকেট এর কাজ কি

টিন সার্টিফিকেটের কাজ কি! টিন সার্টিফিকেটের ফুল মিনিং হলো ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার। মূলত এই সার্টিফিকেট বানাতে হয় আয়কর দিতে। এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি সার্টিফিকেট। বিশেষ কিছু কাজের জন্য সবারি এই টিন সার্টিফিকেট লাগবে। নিচে আমরা তেমনি কিছু লিস্ট করেছি। নিম্নোক্ত কাজের জন আপনার অবশ্যই টিন সার্টিফিকেট থাকতে হবে।

১. আমদানি করার ক্ষেত্রে আমদানিপত্র রেজিস্ট্রেশন করার জন্য।
২. সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য।
৩. যেকোন ধরনের বাণিজ্যিক দরপত্রের জন্য।
৪. সিটি কর্পোরেশন অন্তর্ভুক্ত অঞ্চলে যে কোন জমি বা ভবন রেজিস্ট্রেশনের জন্য।
৫. ক্রেডিট কার্ড ইস্যু করার জন্য।
৬. কপম্পানী রেজিস্ট্রেশনের জন্য এবং কম্পানীর শেয়ার হোল্ডার হওয়ার জন্য টিন সার্টিফিকেট লাগবে।
৭. ড্রাগ লাইসেন্সের জন্য।
৮. যেকোনো ব্যাবস্যায়িক সমিতির সদস্য হওয়ার জন্য কিংবা সদস্য পদ নবায়ন করার জন্য।
৯. গাড়ি, জিপ অথবা মাইক্রোবাসের রেজিস্ট্রেশন কিংবা ফিটনেস লাইসেন্সের জন্য।
১০. কোন পেশাদারী কাজের প্র্যাক্টিস এর জন্য লাইসেন্স নিতে হয়। যেমনঃ ডাক্তার, প্রকৌশলী, আইনজীবী ইত্যাদি।

দেখুনঃ বাস্তবতা নিয়ে কিছু উক্তি

টিন সার্টিফিকেট কিভাবে পাবো

টিন সার্টিফিকেট কিভাবে পাবো। আপনি যদি টিন সার্টিফিকেট সম্পর্কে অজ্ঞত থাকেন। আপনি যদি নতুনে টিন সার্টিফিকেট করতে ইচ্ছুক হন তাহলে আমাদের পোস্ট আপনার জন্যই। আমাদের পোস্টে টিন সার্টিফিকেট সম্পর্কে বিস্তারিত দেয়া রয়েছে। তাই আমাদের পোস্ট ফলো করে আপনি সহজেই টিন সার্টিফিকেট পেয়ে যেতে পারেন।

টিন সার্টিফিকেট খোলার নিয়ম

টিন সার্টিফিকেট খোলার নিয়ম। সম্মানিত পাঠক আপনি যদি টিন সার্টিফিকেট খুলতে আগ্রহী থাকেন তাহলে আমাদের পোস্টে দেয়া তথ্য অনুসারে কাজ করতে হবে। আমারা আমাদের পোস্টে টিন সার্টিফিকেট খোলা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি আপনারা উপকৃত হবেন।

আরো দেখুনঃ অনুভুতি সম্পর্কিত উক্তি ও কবিতা

টিন সার্টিফিকেট আবেদন

টিন সার্টিফিকেট আবেদন। আপনি যদি টিন সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে চান তাহলে আপনার জন্য সুখবর হচ্ছে আপনি সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে সহজেই টিন সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
টিন সার্টিফিকেটের জন্য যে জিনিসগুলো আপনার প্রয়োজন পড়বে তা হলোঃ
১. জাতীয় পরিচয়পত্র
২. মোবাইল নাম্বার
৩. বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা

                                                                    Apply Now

উপরোক্ত জিনিসগুলো সংগ্রহ করারা পর আপনাকে অনলাইনে একটি বিশেষ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। আমাদের পোস্টে সেই লিঙ্ক পেয়ে যাবেন।সাইটে প্রবেশ করার পর রেজিস্টারে ক্লিক করে  ইউজার আইডিসহ জাবতীয় সব তথ্য দিয়ে ক্যাপচা পুরন কপরুন এবং অ্যাকটিভ এ ক্লিক করুন। তারপর আপনার দেয়া ফোনা নাম্বারে একটি ভেরিফিকেশন কোড আসবে। সেটি সাবমিট করুন। বাস এবার আপনার রেজিস্টার কমপ্লিট হয়ে যাবে।

টিন সার্টিফিকেট আবেদন

এরপর টিন রেজিস্ট্রেশন এর জন্য ক্লিক করতে নির্দিস্ট জায়গায় ক্লিক করুন। এরপর যে ফর্ম আসবে সেখানে আপনার সম্পর্কে যাবতীয় সব তথ্য নির্ভূল্ভাবে পুরন করুণ। সবশেষ ফাইনাল প্রিভিউ আসবে। সেখানে আপনার ছবি সহ আপনার তথ্য দেখাবে। সব তথ্য সঠিক থাকলে সাবমিট অ্যাপ্লিকেশন এ ক্লিক করুন। সবশেষে ভিউ সার্টিফিকে এ ক্লিক করে আপনার টিন সার্টিফিকেট পেয়ে যেতে পারেন। এভাবে পুরো আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করার মাধ্যমে আপনি সহজেই ঘরে বসে আপনার টিন সার্টিফিকেট পেয়ে যেতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ প্রকৃতি নিয়ে উক্তি, ছন্দ ও কবিতা

ই টিন সার্টিফিকেট

ই টিন সার্টিফিকেট। ইতিমধ্যই আমাদের পোস্টের মাধ্যমে আশা করি আপনাদের ই টিন সার্টিফিকেট সম্পর্কে ধারণা হয়ে গেছে। আপনারা যারা এই ই টিন সার্তিফিকেট ডাউনলোড করতে ইচ্ছুক তাদের বলবো আমাদের পোস্টে ভালোভাবে চোখ রাখুন। আমরা আমাদের পোস্টে সম্পূর্ণ বিবরণ প্রকাশ করেছি।

টিন সার্টিফিকেট ডাউনলোড

টিন সার্টিফিকেট ডাউনলোড। যারা টিন সার্টিফিকেট ব্যাবহার করেন বা আগে করতেন এখন ব্যাবহার করেন না। অনেকেই আছেন যারা আগে টিন সার্টিফিকেট বানিয়েছিলেন কিন্তু পরবর্তীতে আর ব্যাবহার করেন নি, এখন আবার পুনরায় প্রয়োজন পড়েছে। তাই পুনরায় নিজের টিন সার্টিফিকেটটি ফিরে পেতে আমাদের পোস্টে চোখ রাখুন।
টিন সার্টিফিকেট ডাউনলোড

টিন সার্টিফিকেট চেক

টিন সার্টিফিকেট চেক। যারা টিন সার্টিফিকেট চেক করবেন বা ডাউনলোড করবেন তারা নিম্নোক্ত দিকনির্দেশনা গুলো অনুসরণ করার মাধ্যমে সহজেই চেক করতে পারেন। আপনি যদি ইউজার আইডি ভুলে গিয়ে থাকেন তাহলে প্রথমেই আপনাকে ফরগেট পাসওয়ার্ড এ গিয়ে নিজের ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড সেট করে নিতে হবে।

১. আমাদের পোস্টের দেয়া লিঙ্কের মাধ্যমে আয়কর বিভাগের সাইটে প্রবেশের করুন।
২. সেখান থেকে লগিন এ ক্লিক করুন।
৩. এরপর আপনার ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে নিজের টিন একাউন্টে প্রবেশ করুন।
৪. সেখানে আপনার টিন সার্টিফিকেটের যাবতীয় সব তথ্য চেক করতে পারবেন।
৫. এছাড়া আপনি চাইলে সেখান থেকে প্রিন্ট বা ডাউনলোড করতে পারবেন একদম সহজেই। এভাবেই আপনি প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারবেন।

চোখ রাখুনঃ হাসির উক্তি ও কবিতা

টিন সার্টিফিকেট নবায়ন করার নিয়ম

টিন সার্টিফিকেট নবায়ন করার নিয়ম। আপনারা যারা টিন সার্টিফিকেট নবায়ন করতে চাচ্ছেন তারা আমাদের পোস্ট থেকে সম্পূর্ণ ধারণা লাভ করতে পারেন। কারণ আমাদের পোস্টে টিন সার্টিফিকেট রিনিউ করার সকল দিকনির্দেশনা দেয়া রয়েছে। আহা করি আপনারা এখান থেকে সহজেই টিন সার্টিফিকেট নবায়ন করার পদ্ধতি জেনে নিতে পারবেন।

টিন সার্টিফিকেট সংশোধন

টিন সার্টিফিকেট সংশোধন। টিন সার্টিফিকেট সনশোধন করতে চাইলে আপনাকে সুনির্দিষ্ট কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হবে। এছাড়া আপনার বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করার মাধ্যমে টিন সার্টিফিকেট চেঞ্জ করতে পারবেন। পোস্টের এই অংশে স্পস্টভাবে টিন সার্টিফিকেট সংশোধন এর নিয়ম দেয়া হলোঃ
১. টিন সার্টিফিকেট এর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
২. নিজের ইউজার নেইম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন।
৩. লগিন করার পর আপনি বিভিন্ন অপশন বার দেখতে পারবেন।
৪. এডিট/কারেক্ট/ আপডেট অপশন এ সিলেক্ট করুন।
৫. আপনি যেই টাইপের তথ্য সংশোধন করতে চান সেটি সিলেক্ট করুন।
৬. এরপর আপনার সঠিক তথ্য দিয়ে সাবমিট এ ক্লিক করুন।
৭. এভাবেই আপনার টিন সার্টিফিকেট সংশোধন এর রিকোয়েস্ট সাবমিট করতে হবে। সুনির্দিস্ট সময়ের পর আপনার আপডেট তথ্যটি একই সাইটে পেয়ে যাবেন।

এছাড়া দেখুনঃ ভালোবাসার রোমান্টিক কথা

টিন সার্টিফিকেট বাতিলের আবেদন

টিন সার্টিফিকেট বাতিলের আবেদন। পোস্টের এই অংশে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো টিন সার্টিফিকেট বাতিল করার নিয়ম সম্পর্কে। আপনারা যার ভূলবসত বা অজ্ঞতা বসত টিন সার্টিফিকেট করে ফেলেছেন। তাদের মনে কিন্তু একটিই প্রশ্ন থাকে যে টিন সার্টিফিকেট কিভাবে বাতিল করবো!

কেননা টিন সার্টিফিকেট করলে আমাদের একটি প্রচলিত নিয়ম আছে যে প্রতিবছর আয়কর দিতে হয়। এ কারণে আমরা কিন্তু সবাই উঠ পড়ে লেগেছি টিন সার্টিফিকেট বাতিল করার জন্য। তো আজকের পোস্টের এই অংশে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো যে কীভাবে টিন সার্টিফিকেট বাতিল করতে হয়।

টিন সার্টিফিকেট বাতিল করার নিয়ম

টিন সার্টিফিকেট বাতিল করার নিয়ম। শুরুতেই সবাইকে বলতে চাই যে, আপনি চাইলে সহজেই ঘরে বসে টিন সার্টিফিকেট আবেদন করতে পারেন। কিন্তু টিন সার্টিফিকেট বাতিল করতে আপনাকে পোহাতে হবে অসংখ্য ঝামেলা। টিন সার্টিফিকেট কখনো বন্ধ করা যায় না। আপনি সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়মের মাধ্যমে টিন সার্টিফিকেট অচল অবস্থায় রাখতে পারেন। কিন্তু কখনোই টিন সার্টিফিকেট বন্ধ করতে পারবেন না।

সকলের জানা জরুরী যে একজনের আইডি কার্ড দিয়ে কেবল একবারই একটিই টিন সার্টিফিকেট বানানো যায়। ঐ আইডি কার্ড দিয়ে আর দ্বিতীয় বার কোন টিন সার্টিফিকেট বানানো যাবে না। উপযুক্ত কারণ ছাড়া টিন সার্টিফিকেট না খোলাই ভালো। তারপরেও যদি কেও টিন সার্টিফিকেট অচল অবস্থায় রাখতে চান তাহলে যে কাজগুলি করতে হবে তা হলোঃ

১. মূলত আয়কর অধ্যাদেশ আপনার টিন সার্টিফিকেটটি বন্ধ করার জন্য সুমির্দিষ্ট কোন নির্দেশনা দেয় নি। তবে প্রচলিত ক্ষেত্রে আমরা টিন বাতিল করার জন্য এই নিয়মগুলো অনুসরণ করে থাকি।
২. আপনি যেই কর অঞ্চলের অধীনে আপনার টিন নাম্বারটি খুলেছেন সেই অঞ্চলের উপকর কমিশনার বরাবর আপনার টিন টি বাতিলের জন্য আবেদন বা দরখাস্ত করতে হবে।
৩. দরখাস্থ করার পূর্বে সময়সাপেক্ষ কিছু নিয়ম অত্যাবশক।
৪. একজন করদাতা হতে যে পরিমাণ আয় করার প্রয়োজন সেই পরিমাণ আয় যদি আপনার না থাকে তাহলে আপনাকে কমপক্ষে ৩ বছর শূণ্য রিটার্ন দাখিল করতে হবে।
৫. তিন বছর শূণ্য রটার্ন দেয়ার পরেও যদি আপনার সামনে করযোগ্য আয়ের কোন সম্ভাবনা না থাকে তাহলে আপনি তৃতীয় বছরের রিটার্ন জমা দেয়ার সময় আপনার আয়কর ফাইলটি নথিস্থ করার জন্য একটি আবেদন করতে হবে উপকর কমিশনার বরাবর।
৬. উপকর কমিশনার যদি আপনার দরখাস্থে সন্তুষ্ট হয় তাহলে আপনার ফাইলটি নথিস্থ করে রাখবেন।
৭. পরবর্তীতে যদি আপনার কর দেয়ার মতো আয় হয় তখন সেই ফাইলটি পুনরায় সচল করতে হবে। উল্লেখ্য যে একটি আইডি কার্ড দিয়ে কেবল একটিই টিন একাউন্ট খোলা যায়।

শেষ কথাঃ
সুপ্রিয় পাঠক, আমরা চেস্টা করেছি আজকের পোস্টে টিন সার্টিফিকেট সম্পর্কে যাবতীয় সব তথ্য দেয়ার জন্য। আশা করি আপনাদের প্রয়োজনীয় সব তথ্য আমাদের পোস্টে পেয়ে গেছেন। ধৈর্য সহকারে আমাদের পোস্ট পড়ার জন্য থ্যাঙ্কস। আপনাদের কোন মতামত থাকলে অবশ্যই আমাদের ব্যাক্ত করবেন।

আরো দেখতে চোখ রাখুনঃ
স্বামী স্ত্রীর ভালবাসার উক্তি, বাণী ও মেসেজ
শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস

Show More

sumon

আমার নাম সুমন। আমি একজন ক্ষুদ্র কনটেন্ট রাইটার। আমার ব্লগিং করতে অনেক ভালো লাগে। আমি সবসময় চেষ্টা করি নতুন বিষয় সমূহ নিয়ে লিখতে। এবং সেখানে বিভিন্ন ধরনের তথ্য দিয়ে সবাইকে সাহায্য করে থাকি। আশা করি আমার লেখাগুলো আপনাদের অনেক ভালো লাগে।
Back to top button